| সংগঠিত ধর্ষণগুলো স্থিতিশীলতা-সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা |
📰 মিজানুর রহমান আজহারীর মন্তব্য: সংগঠিত ধর্ষণ দেশের স্থিতিশীলতা ও নৈতিকতাকে হুমকি
সংগঠিত ধর্ষণগুলো কেবল ব্যক্তি বা পরিবারের সমস্যা নয়; এটি দেশের স্থিতিশীলতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার এক অপচেষ্টা। যদি এটি কোনো অপশক্তির ষড়যন্ত্র হয়, তবে তা পুরো জাতি ও দেশের নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকি।
বৃহস্পতিবার মিজানুর রহমান আজহারী তার ভেরিফায়ড ফেসবুক পেজে লিখেছেন, সম্প্রতি ফাঁদে ফেলে সংগঠিত ধর্ষণগুলো মুসলিম তরুণীদের জীবনের নিছক ট্র্যাজেডি নয়; বরং এটি আমাদের সামগ্রিক নৈতিক অবক্ষয়ের অশনিসংকেত।
তিনি বলেন, প্রশাসনের রহস্যজনক নীরবতা আমাদের নাগরিক নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এসব অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য প্রশাসনের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।
একই সঙ্গে আমাদেরও আত্মসমালোচনা দরকার। শুধু অপরাধীদের ধিক্কার দিলেই কি দায় শেষ? কেন আমাদের সন্তানরা এত সহজে প্রলোভনের ফাঁদে পড়ে?
আজহারী প্রশ্ন তোলেন, অভিভাবকরা কি জানেন তাদের সন্তান কার সঙ্গে মিশছে, কী ধরনের চিন্তায় প্রভাবিত হচ্ছে বা কোন ভার্চুয়াল জগতের গহ্বরে হারিয়ে যাচ্ছে? একজন মুসলিম তরুণ বা তরুণী যদি সহজেই প্রলোভনে পড়ে ঈমান ও নৈতিকতার সীমা লঙ্ঘন করে, তবে এটা কেবল প্রলোভনকারীর দোষ নয়, বরং সমাজ ও পরিবারের ব্যর্থতাও বটে।
তিনি আরও বলেন, আত্মনিয়ন্ত্রণ, মূল্যবোধ ও নৈতিকতার চর্চা আজ মুসলিম পরিবারে চরমভাবে অবহেলিত। আমরা সন্তানদের আধুনিক শিক্ষা দিচ্ছি ঠিকই, কিন্তু তাদের আত্মিক শক্তি, উন্নত চরিত্র ও ঈমানি দৃঢ়তা গড়ে তুলতে পারছি না।
আজহারী মনে করিয়ে দেন, উত্তর আধুনিকতার এই যুগে, নৈতিকতার চর্চা ও পারিবারিক তারবিয়া ছাড়া মুসলিম সমাজ নিরাপদ থাকতে পারবে না। তাই প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের পাশাপাশি প্রতিটি পরিবারকেই হতে হবে ঈমানী চেতনা ও নৈতিকতার অভেদ্য দুর্গ, যা আমাদের আত্মরক্ষার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।
No comments:
Post a Comment