| ভারতের বিনিয়োগ ছিল হাসিনায়, বাংলাদেশে নয় |
একটি বিদেশি আগন্তুকের চোখে: নির্যাতনের গুজব ভাঙলো নিজ চোখে যাচাই করে
সামাজিক নৈকৃষ্ট্য নয়—বাস্তবতা তাই বলে
ঢাকায় স্থাপত্যবিদ্যার ২১ বছরের এক বিদেশি ছাত্র, যিনি সামাজিক মাধ্যমে সংখ্যালঘু নির্যাতনের খবর শুনে শোকাহত হয়েছিলেন, নিজে যাচাই করে দেখেন—প্রচারে উসকানিমূলক গুজব ছড়ানো হলেও হিন্দু প্রতিবেশীরা নিরাপদে ছিলেন। প্রেমিক আগন্তুক নামে পরিচিত এই তরুণ জুলাই আন্দোলনের প্রযুক্তি টিমের সদস্য ছিলেন।
চলমান গুজব, বাস্তবতা ভিন্ন
— আন্দোলনী সাহযোযায় প্রযুক্তির ভূমিকা ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ফোকাস বাড়াতে কাজ করেন
— তিনি বলেন, "হিন্দুদের উপর হামলা আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল না"
— নিজের কাছ থেকে ফোনে যাচাই করে দেখেন—নবিনবাগ এলাকার সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, কোনো হামলার ঘটনা নেই
— সামাজিক ও ভারতীয় মূলধারার টিভিতে ছড়িয়ে পড়ে গুজব; তাঁর বন্ধুদের মাধ্যমে নিশ্চিত ধারণা পান হামলার ছড়াচ্ছিল কিনা—মন্দির পাহারা দিচ্ছে, কোনো সহিংসতা নেই
গণঅভ্যুত্থান, স্বৈরাচার ও ইতিহাস
- আন্দোলনের কারণে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করলেও, আমাদের দেশে সহিংসতার প্রবণতা ছিল
- ক্ষমতা পোক্ত রাখতে কিছু দাঙ্গাকারীরা তার বাবার প্রতিকৃতি ও মন্দিরগুলোতে হামলা চালায়
- বাংলাদেশে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হলেও ঐতিহ্যগতভাবে আওয়ামী লীগ সমর্থক, ফলে হামলার দৃষ্টি আকর্ষণ করে সামাজিক বিভাজন
অন্তর্বর্তী সরকার—ড. ইউনূস্র নেতৃত্বে তরুণ প্রজন্মকে অন্তর্ভুক্তিমূলক দেশে জোরালোভাবে নিয়ে আসার উদ্যোগ
- তিনি ঢাকেশ্বরীর একটি মন্দিরে যাচ্ছেন, সংখ্যালঘুদের পাশে থাকার সংকল্প দেন
- বিশ্লেষকরা মনে করেন—এখন প্রয়োজন ধর্মনিরপেক্ষ, বহুত্ববাদী সমাজ গড়ার
- ত্রিপাঠি ও অন্যান্য বিমর্শে বলা হয়েছে—দেশের ভবিষ্যতের জন্য ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক অপরিহার্য
কূটনীতি ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
- ভারতের সংবাদমাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীকে যেভাবে ছাত্রস্রোতের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে তুলে ধরা হয়, তা বাংলাদেশ ও তার রাজনীতিকে জটিল করে
- বাংলাদেশে জামায়াত সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ না হলেও তারা বিএনপির সহায়তায় বিধায় আলোচনীয় দল ছিল
- ২০২৪ সালের ১ আগস্ট জামায়াত নিষিদ্ধ হলেও, ছাত্র–জনতার আন্দোলনে তাদের প্রভাব উঠেছে
No comments:
Post a Comment