ভোটের তারিখ নিয়ে ৫ আগস্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করবে বিএনপি, পরিবেশ নিয়ে খুশি নয় জামায়াত - People’s Bangla

People’s Bangla

Voice of the People | জনতার কণ্ঠস্বর

সর্বশেষ

Home Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, July 30, 2025

ভোটের তারিখ নিয়ে ৫ আগস্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করবে বিএনপি, পরিবেশ নিয়ে খুশি নয় জামায়াত

 

ভোটের তারিখ নিয়ে ৫ আগস্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করবে বিএনপি, পরিবেশ নিয়ে খুশি নয় জামায়াত

নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা নিয়ে অনিশ্চয়তা, রাজনৈতিক দলগুলোর চাপ বাড়ছে অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাব্য ঘোষণা দেওয়া হলেও এখনো পর্যন্ত তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেননি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বা নির্বাচন কমিশন। এই অনিশ্চয়তা ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে উদ্বেগ বাড়ছে।

সম্প্রতি লন্ডনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বৈঠকের পর একটি যৌথ বিবৃতি আসে, যেখানে ফেব্রুয়ারির শুরুতেই নির্বাচনের আভাস দেওয়া হয়। তবে প্রধান উপদেষ্টার আশ্বাস সত্ত্বেও এখনও সুনির্দিষ্ট তারিখ প্রকাশ না হওয়ায় সংশয় কাটছে না।

রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান: নির্বাচনী নির্দেশনা চান সবাই

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন,

“আমরা আশা করছি, ফেব্রুয়ারির শুরুতেই, রমজানের আগের সপ্তাহে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য নির্বাচন কমিশনকে যথাযথ নির্দেশনা দেওয়া হবে। আমরা ৫ আগস্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করবো।”

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক আরও কঠোর ভাষায় বলেন,

“সরকার যদি দ্রুত নির্বাচন কমিশনকে রাজনৈতিক নির্দেশনা না দেয়, তাহলে নির্বাচন ও সরকারের উদ্দেশ্য নিয়েই জনমনে সন্দেহ তৈরি হবে।”

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদও শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন,

“আমরা মনে করি না দেশে এখনও নির্বাচনের উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নের উপর জোর দিতে হবে।”

তত্ত্বাবধায়ক কাঠামোর দাবি: বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার আহ্বান

রাজনৈতিক দলগুলোর মতে, অন্তর্বর্তী সরকারকে বাস্তবিক অর্থে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো পরিচালনা করতে হবে। তারা চান, উপদেষ্টা পরিষদ থেকে বিতর্কিত ও ব্যর্থ সদস্যদের সরিয়ে নতুন নিরপেক্ষ কাঠামো গড়ে তোলা হোক।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন,

“বর্তমান সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা দলীয় স্বার্থ রক্ষা করছেন, যাদের থাকাটা সরকারের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ করছে।”

সাইফুল হক আরও বলেন,

“এই সরকারকে যেন কোনও পক্ষের হয়ে কাজ না করতে হয়। নিরপেক্ষতা বজায় রেখে কাজ করতে হলে সরকারের সদস্য সংখ্যা ১০ থেকে ১২ জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।”

আস্থার সংকট তৈরি হলে আসতে পারে নতুন দাবি

রাজনৈতিক দলগুলোর ভাষ্য, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণহত্যার বিচারে সন্তোষজনক অগ্রগতি হয়েছে। তাই নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন আয়োজনের কোনও বাধা নেই। কিন্তু তারিখ ঘোষণায় দেরি হলে জনগণের আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে। এতে করে আবারও নতুন করে “নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের” দাবিও জোরালো হতে পারে।

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad

© 2025 Peoples Bangla | All Rights Reserved.
×