| মেট্রোরেল দুর্ঘটনায় নিহত কালামের পরিবারের পক্ষে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের নোটিশ |
⚖️ ফার্মগেট মেট্রোরেল দুর্ঘটনা: নিহত আবুল কালামের পরিবারকে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের নোটিশ
রাজধানীর ফার্মগেটে মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাডের আঘাতে নিহত আবুল কালাম আজাদের পরিবারকে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব (বা সিনিয়র সচিব) এবং ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে এই নোটিশ পাঠানো হয়।
মঙ্গলবার ডাকযোগে এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠান ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী এনামুল হক নবীন।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে— ৩০ দিনের মধ্যে নিহতের পরিবারকে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ এবং পরিবারের একজন সদস্যকে মেট্রোরেলে স্থায়ী চাকরি দিতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
📰 ঘটনার বিবরণ
নোটিশে বলা হয়, গত ২৬ অক্টোবর সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের এমআরটি লাইন-৬ ফার্মগেট মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন পিয়ার নম্বর ৪৩৩ থেকে দুইটি বিয়ারিং প্যাড নিচে পড়ে যায়।
এর মধ্যে একটি বিয়ারিং প্যাড পথচারী আবুল কালাম আজাদের মাথায় আঘাত করে, ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত কালাম তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন। তার স্ত্রী, দুটি শিশু সন্তান এবং তার অর্থায়নে পড়াশোনা করা এক ছোট ভাই রয়েছেন।
নোটিশে দাবি করা হয়, এই মৃত্যু মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের চরম গাফিলতি ও অব্যবস্থাপনার ফল।
মেট্রোরেল স্থাপনা ও সরঞ্জাম যথাযথভাবে পরিদর্শন না করে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পরিচালনা করা হয়েছে— যা জননিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি বলে উল্লেখ করা হয়।
💬 ক্ষতিপূরণ নিয়ে অসন্তোষ
নোটিশে আরও বলা হয়, গত ২৭ অক্টোবর মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ নিহতের পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার কথা জানায়।
তবে তা বাস্তবতার সঙ্গে অসঙ্গত, অপ্রতুল ও অবমাননাকর বলে মন্তব্য করা হয় নোটিশে।
তাই নোটিশগ্রহীতাদের ৩০ দিনের মধ্যে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং নিহতের পরিবারের একজনকে মেট্রোরেলে স্থায়ী চাকরি দিতে বলা হয়েছে।
অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
📌 সম্পাদকীয় মন্তব্য:
ফার্মগেট মেট্রোরেল দুর্ঘটনা জননিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। রাজধানীর উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে নাগরিক সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে এমন মর্মান্তিক ঘটনা আরও বাড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন।
No comments:
Post a Comment