শেখ হাসিনা সেনাবাহিনীকে উসকে দেয়ার চেষ্টা করেছেন: চিফ প্রসিকিউটর - People’s Bangla

People’s Bangla

Voice of the People | জনতার কণ্ঠস্বর

সর্বশেষ

Home Top Ad

Post Top Ad

Thursday, October 23, 2025

শেখ হাসিনা সেনাবাহিনীকে উসকে দেয়ার চেষ্টা করেছেন: চিফ প্রসিকিউটর

শেখ হাসিনা সেনাবাহিনীকে উসকে দেয়ার চেষ্টা করেছেন: চিফ প্রসিকিউটর

📰 চিফ প্রসিকিউটর: শেখ হাসিনা রাষ্ট্রে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করেছেন, সেনাবাহিনী উসকানির ফাঁদে পা দেয়নি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম দাবি করেছেন, বর্তমান মামলায় যুক্ত আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে গন্ডগোল সৃষ্টি করে সেনাবাহিনীকে উসকে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু পরিবারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত পন্থায় সিভিল ওয়ারের মতো পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টাও ছিল। তবে দেশের সেনাবাহিনী ও জনগণ সেই উসকানিতে পা দেয়নি বলে তাজুল ইসলাম যুক্তি দেন।

বৃহস্পতিবার (তারিখ অনুযায়ী) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ তিনি এসব কথা বলেন। এদিন ওই মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। মামলায় শেখ হাসিনার পাশাপাশি অপর দুই আসামি হলেন—সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। মামুন পরে নিজের দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী (অ্যাপ্রুভার) হয়েছেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, “শেখ হাসিনা সেনাবাহিনীকে বারবার বলার চেষ্টা করেছিলেন—‘তোমাদের অফিসারদের বিচার হয়, কেন রুখে দাঁড়াচ্ছ না?’ তিনি রাষ্ট্রের মধ্যে সিভিল ওয়ারের পরিস্থিতি তৈরির মনস্থ করেছিলেন। কিন্তু বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী সেটি মেনে নেয়নি, এবং জনগণও পা দেয়নি।”

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, প্রসিকিউশন অপরাধীদের বিচারের জন্য স্থিরপ্রতিজ্ঞ। তারা আদালতে আসা প্রতিটি আসামির বিরুদ্ধে প্রমাণসম্বলিত অভিযোগ উপস্থাপন করেছে এবং বিচার প্রক্রিয়া পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে চলছে। “বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে; কোনো উসকানিতে কেউ পা দেয়নি,” তিনি উল্লেখ করেন।

তাজুল ইসলাম দাবি করেন, মামলায় অভিযোগপ্রাপ্তদের মধ্যে অনুশোচনার চিহ্ন নেই। তিনি বলেন, “এত বড় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে—এর আগুন পৃথিবীর সামনে, সবার সামনে। যারা এখানে সাক্ষ্য দিয়েছেন তাদের হত্যা করার হুমকি দিতে থাকেন, তাদের বাড়িঘর ধ্বংস করার কথা বলেন, লাশগুলো বঙ্গোপসাগরে ফেলে দেওয়ার কথা বলেন।”

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “এ ধরনের নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ—পুরো প্রজন্মকে নিধন করার চেষ্টা, তিন দশক ধরে অসংখ্য মানুষ আহত ও অঙ্গহানি হয়ে গেছে—এ সবের পরও যে কাউকে অনুশোচনা থাকতে হবে; কিন্তু এখানে সামান্যতম রিমোর্স দেখা যায়নি। তাই সর্বোচ্চ শাস্তিই প্রাপ্য।”

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad

© 2025 Peoples Bangla | All Rights Reserved.
×