নোয়াখালীতে মসজিদে শিবিরের দারসুল কোরআন অনুষ্ঠানে বিএনপির হামলা, আহত ২০ - People’s Bangla

People’s Bangla

Voice of the People | জনতার কণ্ঠস্বর

সর্বশেষ

Home Top Ad

Post Top Ad

Monday, October 20, 2025

নোয়াখালীতে মসজিদে শিবিরের দারসুল কোরআন অনুষ্ঠানে বিএনপির হামলা, আহত ২০

নোয়াখালীতে মসজিদে শিবিরের দারসুল কোরআন অনুষ্ঠানে বিএনপির হামলা, আহত ২০

নোয়াখালীতে বিএনপি ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০

নোয়াখালী সদর উপজেলায় বিএনপি ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে নেওয়াজপুর ইউনিয়নের কাশেমবাজার এলাকায় এ সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।


ঘটনার পটভূমি

এর আগে শনিবার (১৮ অক্টোবর) কাশেমবাজার মসজিদে ছাত্রশিবিরের আয়োজিত কোরআন শিক্ষা কার্যক্রম চলাকালে স্থানীয় যুবদল নেতার নেতৃত্বে হামলা ও শিক্ষার্থীদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় রবিবার দুপুরে সুধারাম মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। এরপর প্রতিবাদ হিসেবে বিকেলে একই মসজিদে দারসুল কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজনের ঘোষণা দেয় ছাত্রশিবির।


সংঘর্ষের ঘটনা

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে আছরের নামাজের পর কোরআন প্রতিযোগিতা শুরু হলে বাইরে থেকে বিএনপি নেতাকর্মীরা ‘জিয়ার স্লোগান’ দিতে থাকেন। এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ বাধে, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হন। বর্তমানে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা মসজিদের ভেতরে অবস্থান করছেন, আর বাইরে বিএনপি নেতাকর্মীরা স্লোগান দিচ্ছেন।
এ সময় ঘটনাস্থলে অল্প সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যকে দেখা গেছে বলে জানান স্থানীয়রা।


পক্ষগুলোর বক্তব্য

ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও নোয়াখালী শহর শাখার সভাপতি হাবিবুর রহমান আরমান বলেন,

“আমাদের শান্তিপূর্ণ কোরআন ক্লাসে বিএনপি নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে। আমাদের ভাইয়েরা মসজিদে আহত অবস্থায় পড়ে আছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব ভূমিকা পালন করছে। হাসপাতালে নেওয়ার মতো অবস্থাও নেই। একের পর এক হামলা হচ্ছে মসজিদে।”

অন্যদিকে, নেওয়াজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন বাবুল বলেন,

“নামাজ শেষে মসজিদ থেকেই হামলা চালানো হয়। যুবদলের সাবেক সভাপতি ফারুকের দুই ভাইসহ অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। মসজিদের ভেতর থেকে বারবার হামলা করা হচ্ছে।”


পুলিশের অবস্থান

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন,

“আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।”


📅 তারিখ: রবিবার, ১৯ অক্টোবর
📍 স্থান: কাশেমবাজার, নেওয়াজপুর ইউনিয়ন, নোয়াখালী সদর

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad

© 2025 Peoples Bangla | All Rights Reserved.
×