| ক্ষমতায় গেলে শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেবে বিএনপি |
📰 “শিক্ষা হবে রাষ্ট্রের প্রাথমিক অগ্রাধিকার”—তারেক রহমান
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন,
“রাষ্ট্রের সুরক্ষায় প্রয়োজন উপযুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা। বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হবে।”
শনিবার কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় খন্দকার শামসুল আলম ফাউন্ডেশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন,
“পাঠ্যপুস্তকে খেলাধুলা ও বিভিন্ন দেশের ভাষা শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ব্যবহারিক ও ভোকেশনাল শিক্ষাকে গতিশীল করা হবে, যাতে তরুণরা দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে পারে।”
তিনি আরও বলেন,
“বিশ্ব এখন আর্তিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) যুগে প্রবেশ করেছে। মেধাবীদের জন্য এখন বিশ্বের দরজা উন্মুক্ত। জ্ঞান, বুদ্ধি, মেধা ও যোগ্যতার প্রতিযোগিতা চলছে সর্বত্র। শিক্ষার্থীদের এ প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া জরুরি।”
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন,
“তোমরা মাদরাসা বা স্কুল, যেখানেই পড়াশোনা করো না কেন, সম্মানের সঙ্গে টিকে থাকতে হলে আধুনিক ও ব্যবহারিক শিক্ষায় দক্ষ হতে হবে। জ্ঞানে-বিজ্ঞানে পারদর্শী হতে হবে। কারিগরি শিক্ষায়ও পারদর্শী হতে হবে। যদি প্রত্যেকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে, তাহলে আমরা বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে পারব ইনশাআল্লাহ।”
তারেক রহমান বলেন,
“বিএনপি আগামী দিনের শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাজাতে কাজ করছে। বর্তমান বিশ্বে নিজেকে অন্যের চেয়ে দক্ষ করে তোলার প্রতিযোগিতায় একনিষ্ঠতা ও দৃঢ় ইচ্ছাশক্তির বিকল্প নেই।”
সভায় জেলা বিএনপির সভাপতি শরীফুল আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন, খন্দকার শামসুল আলম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার আল আশরাফ মামুন, সাধারণ সম্পাদক রত্না খাতুন, তারেক রহমানের শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম প্রমুখ। শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, খন্দকার শামসুল আলম ফাউন্ডেশন ৩১ দফার মেধাবৃত্তি পরীক্ষা আয়োজন করে। গত ১৬ আগস্ট পাকুন্দিয়া উপজেলার ১১টি কেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়, এতে উপজেলার ৮৪টি বিদ্যালয়ের প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
No comments:
Post a Comment