কলকাতায় ‘পার্টি অফিস’ খুলেছে আওয়ামী লীগ। সেখান থেকেই পরিচালিত হচ্ছে দল - People’s Bangla

People’s Bangla

Voice of the People | জনতার কণ্ঠস্বর

সর্বশেষ

Home Top Ad

Post Top Ad

Friday, August 8, 2025

কলকাতায় ‘পার্টি অফিস’ খুলেছে আওয়ামী লীগ। সেখান থেকেই পরিচালিত হচ্ছে দল

কলকাতায় ‘পার্টি অফিস’ খুলেছে আওয়ামী লীগ
 ভারতে গোপনে খোলা রয়েছে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস, সেখান থেকেই পরিচালিত হচ্ছে দল

গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশের বাইরে চলে যাওয়া দিয়ে ১৫ বছর রাজত্বকারী আওয়ামী লীগের শাসন ব্যবস্থা শেষ হয়। এরপর দলের অনেক শীর্ষ নেতা ও কর্মীরা নিরাপত্তার খাতিরে প্রতিবেশী দেশ ভারতে আশ্রয় নেন। সম্প্রতি জানা গেছে, কলকাতার একটি বাণিজ্যিক ভবনের আট তলায় গোপনে খোলা হয়েছে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস, যেখানে নিয়মিত বৈঠক এবং দলীয় কাজ চলে।

পার্টি অফিসের গোপনীয়তা

এই পার্টি অফিসটি দেখতে সাধারণ বাণিজ্যিক অফিসের মতো, কোনো দলীয় সাইনবোর্ড বা নেতাদের ছবি রাখা হয়নি। এক দলের নেতা জানান, এখানে কোনো দলীয় নথিপত্রও রাখা হয় না। ছোট ও বড় বৈঠক হয়; বড় বৈঠকের জন্য প্রয়োজনমত রেস্টুরেন্ট বা ব্যাঙ্কয়েট হল ভাড়া করা হয়।

ভারতে অবস্থানরত নেতাদের সংখ্যা

প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, গত এক বছরে কলকাতা ও আশপাশে প্রায় ৮০ জন সংসদ সদস্য এবং ২০০ জন জেলা সভাপতি, উপজেলা চেয়ারম্যানসহ উচ্চ পর্যায়ের নেতারা অবস্থান করছেন। কেউ একা, কেউ পরিবারের সঙ্গে এবং কেউবা একাধিক নেতাই মিলিতভাবে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে বসবাস করছেন। পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তা, পুলিশ ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারাও রয়েছেন।

ভার্চুয়াল মাধ্যমে দল পরিচালনা

দলের বড় অংশ ভারতে থাকলেও ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশে থাকা নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও নির্দেশনা দেয়া হয়। দলীয় সভা, লাইভ অনুষ্ঠান এবং হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম গ্রুপে নিয়মিত আলোচনা হয়।

কর্মীরা দেশে মার খাচ্ছেন, নেতারা কেন ভারতে?

এ প্রসঙ্গে বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতে থেকে দল পরিচালনা করার অনেক রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত কারণ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশেও রাজনৈতিক কর্মীরা হয়তো বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন, কিন্তু নেতৃত্বের ভারতে অবস্থান দলীয় কার্যক্রম চালানোর সুযোগ দেয়।

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি ভারতে

নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ভারতে অবস্থান করছেন প্রায় এক বছর ধরে। তিনি জানিয়েছেন, দেশে থেকে ক্যাম্পাসে যাওয়ার সুযোগ পাননি নেতাকর্মীরা।

অর্থায়ন ও জীবনযাত্রা

দলের কর্মী ও নেতারা দেশের ও বিদেশের শুভাকাঙ্খীদের অর্থায়নে চলমান অবস্থান ও কর্মসূচি চালাচ্ছেন। তবে কলকাতায় শরণার্থী জীবনযাত্রার মতো হলেও তারা সাশ্রয়ীভাবে বাসস্থান ও যাতায়াত চালিয়ে যাচ্ছেন।

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad

© 2025 Peoples Bangla | All Rights Reserved.
×