| ১৩১৪ কোটি টাকার অনিয়ম: চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান |
⚠️ ১৩১৪ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু
People’s Bangla প্রতিবেদক:
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান-এর বিরুদ্ধে প্রায় ১ হাজার ৩১৪ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম, অর্থপাচার ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক অভিযোগের ভিত্তিতে দুজন কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বন্দর চেয়ারম্যানের কাছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে, যার জমাদানের শেষ তারিখ ২৮ জুলাই।
📑 যেসব তথ্য চাওয়া হয়েছে
দুদকের পাঠানো চিঠিতে চাওয়া হয়েছে:
- কর্ণফুলী নদী ড্রেজিংসহ প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত নথি
- অর্থ বরাদ্দের দলিল
- দরপত্র আহ্বান ও মূল্যায়ন সংক্রান্ত নথিপত্র
- কার্যাদেশ, চুক্তিপত্র, বিল-ভাউচার
- প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি সংক্রান্ত তথ্য
এছাড়াও চেয়ারম্যানের স্ত্রী আইরিন জামান এবং দুই সন্তান মুহতাসিম ইয়াসার ও সারান ইয়াসার-এর জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট ও জন্মনিবন্ধনের সত্যায়িত কপি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
🧾 সিএজি’র রিপোর্টে ৭২টি অনিয়ম
মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) ২০২৩–২৪ অর্থবছরের প্রতিবেদনে চট্টগ্রাম বন্দরে ৭২টি অনিয়ম ধরা পড়ে, যার আর্থিক মূল্য ১ হাজার ৩১৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৪৪টি অনিয়মে জড়িত অর্থ প্রায় ২৬৫ কোটি টাকা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেশিরভাগ অনিয়ম হয়েছে:
- দরপত্র প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি
- মূল্যায়নে পক্ষপাতিত্ব
- চুক্তি বাস্তবায়নের সময় দুর্নীতি
🕵️♂️ চাপ সৃষ্টি ও ধামাচাপার চেষ্টা
সূত্র বলছে, অভিযোগের বিষয়বস্তু প্রকাশ রোধে বন্দর চেয়ারম্যান ইতোমধ্যেই একটি প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সক্রিয় হয়েছেন।
দুদক জানায়, অনুসন্ধানে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা মিললে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
No comments:
Post a Comment