| রামপুরা মেট্রোরেলের স্টেশন বাদ, না হয় যথাযথ ক্ষতিপূরণ দাবি জমি মালিকদের |
পাতাল মেট্রোরেল (এমআরটি লাইন-১) প্রকল্পের ‘রামপুরা স্টেশন’ বাতিলের দাবি তুলেছেন ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত রামপুরার জমির মালিকরা। তাদের বক্তব্য, স্টেশনটি অপ্রয়োজনীয় ও অযৌক্তিক ব্যয় বৃদ্ধি করবে। যদি বাতিল না করা হয়, তবে বর্তমান বাজারদরের ভিত্তিতে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা।
স্থায়ী বাসিন্দা মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, “আমরা বারবার জমি হারাচ্ছি—বিটিবি, ডিআইটি রোডের পর এবার মেট্রোরেলের জন্য জমি নিচ্ছে। এর ফলে আমরা নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছি।”
তিনি অভিযোগ করেন, যেখানে রামপুরার জমির বাজারদর প্রতি শতাংশ প্রায় ১২ কোটি টাকা, সেখানে সরকার মাত্র ৩৬ লাখ টাকা শতাংশ প্রস্তাব করেছে। কর্মকর্তারা বারবার ‘কিছু করার নেই’ বলে দায়িত্ব এড়াচ্ছেন বলেও জানান তিনি।
মনোয়ার হোসেন আরও বলেন, আফতাবনগর, রামপুরা ও মালিবাগ—এই তিনটি পাতাল স্টেশন মাত্র দেড় কিলোমিটার এলাকায় নির্মাণের পরিকল্পনা আছে। রামপুরা স্টেশন থেকে অন্য স্টেশনে ৫–৭ মিনিট হাঁটলেই যাওয়া সম্ভব, তাই এই স্টেশন অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসিতা মাত্র।
তিনি জানান, প্রতি কিলোমিটারে পাতাল রেল নির্মাণ ব্যয় প্রায় ৩,৫০০ কোটি টাকা। একটি অতিরিক্ত স্টেশন বাদ দিলে খরচ কমে যাবে এবং প্রায় ৫০০ মানুষের কর্মসংস্থানও রক্ষা পাবে।
জমির মালিকদের দাবি—রামপুরা স্টেশন বাতিল করা হোক অথবা বাজারদরের ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ ও সমপরিমাণ জমি দিয়ে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হোক।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ক্ষতিগ্রস্ত মালিক আনোয়ার হোসেন, তাইজুল ইসলাম, শেখ জিয়াউদ্দিন আহমেদ, স্বপন আহমেদসহ ১৩ জন।
No comments:
Post a Comment