| দয়া করে আমাকে রিমান্ডে দিয়েন না, আদালতকে মেজর সাদিকের স্ত্রী |
🛑 নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বৈঠকে জড়িত থাকার অভিযোগে সুমাইয়া ও আদনানের রিমান্ড মঞ্জুর
রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গোপন বৈঠকের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় মেজর সাদেকুলের স্ত্রী ও “অপারেশন ঢাকা ব্লকেড”-এর সক্রিয় সদস্য সুমাইয়া তাহমিদ জাফরিন এবং সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ও একই অভিযানের ম্যানেজমেন্ট সদস্য আদনান বিন আব্দুল্লাহ চৌধুরীর বিভিন্ন মেয়াদের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের আদালতে হাজির করে তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির গুলশান বিভাগের পরিদর্শক মো. জেহাদ হোসেন। এসময় সুমাইয়ার জন্য ৭ দিন এবং আদনানের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।
🏛️ আদালতের শুনানিতে কী বলা হয়?
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা শুনানিতে বলেন,
“আসামিরা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পক্ষ হয়ে বসুন্ধরার কে বি কনভেনশন হলে সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। তারা ঢাকার শাহবাগ মোড় দখলের পরিকল্পনা করেছিলেন, যা রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারত।”
তারা আরও দাবি করেন,
“সুমাইয়া নিজেকে এএসপি (সহকারী পুলিশ সুপার) পরিচয় দিয়ে সমাবেশে অংশ নেন, যা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মিথ্যা পরিচয় ব্যবহার করে ষড়যন্ত্রের অংশ।”
🙋♀️ সুমাইয়ার আত্মপক্ষ সমর্থন
আদালতের অনুমতি নিয়ে সুমাইয়া তাহমিদ জাফরিন বলেন,
“আমি কোনো অপরাধ করিনি। আমার স্বামীর সাথে কেবল অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। সেখানে কি ধরনের বৈঠক হচ্ছিল, তা আমি জানতাম না। দয়া করে আমাকে রিমান্ডে দেবেন না স্যার। কিছু জানার থাকলে এখানেই জিজ্ঞাসা করুন।”
⚖️ রায়
দুই পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ
-
সুমাইয়ার ৫ দিনের
-
আদনানের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
🕵️♂️ পটভূমি ও মামলা
গত ৮ জুলাই, কে বি কনভেনশন হলে অনুষ্ঠিত গোপন বৈঠকে অংশ নেন প্রায় ৩-৪ শত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। অভিযোগে বলা হয়,
“শেখ হাসিনার নির্দেশে শাহবাগ মোড় দখল করে দেশে ‘অস্থিতিশীল পরিবেশ’ তৈরি করে আবারও তার নেতৃত্ব নিশ্চিত করার পরিকল্পনা করছিলেন তারা।”
ঘটনার পর, ১৩ জুলাই ভাটারা থানার উপ-পরিদর্শক জ্যোতির্ময় মণ্ডল সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেন।
No comments:
Post a Comment